> নির্গমন পুস্তক ৩৩ অনুচ্ছেদ, ১৮-২৩ শ্লোক - Bangla Quran

Latest Posts

Post Top Ad

jeudi 26 novembre 2020

নির্গমন পুস্তক ৩৩ অনুচ্ছেদ, ১৮-২৩ শ্লোক

1তারপর মাবুদ মূসাকে বললেন, “তোমার যে লোকদের তুমি মিসর দেশ থেকে বের করে এনেছ তাদের নিয়ে তুমি এই জায়গা ছেড়ে আমার ওয়াদা করা দেশে যাও। সেই দেশ সম্বন্ধে আমি ইব্রাহিম, ইসহাক ও ইয়াকুবের কাছে এই ওয়াদা করেছিলাম যে, আমি তাদের বংশধরদের তা দেব। 2আমি তোমাদের আগে আগে একজন ফেরেশতাকে পাঠিয়ে সেই দেশ থেকে কেনানীয়, আমোরীয়, হিট্টীয়, পরিষীয়, হিব্বীয় ও যিবূষীয়দের তাড়িয়ে দেব। 3সেখানে দুধ, মধু আর কোন কিছুর অভাব নেই। কিন্তু তোমরা একটা একগুঁয়ে জাতি বলে আমি তোমাদের সংগে যাব না, গেলে পথেই আমি তোমাদের শেষ করে দেব।”
4এই বিপদের কথা শুনে লোকেরা কান্নাকাটি করতে লাগল। তারা কেউ আর কোন গহনাগাঁটি পরল না, 5কারণ মাবুদ মূসাকে বলেছিলেন, “বনি-ইসরাইলদের বল যে, তারা একটা একগুঁয়ে জাতি। সেইজন্য যদি আমি এক মুহূর্তের জন্যও তাদের সংগে থাকি, তবে আমি তাদের শেষ করে দেব। তাদের গায়ে গহনাগাঁটি যা আছে তা এখন তারা খুলে ফেলুক। তারপর আমি ঠিক করব তাদের নিয়ে আমি কি করব।” 6কাজেই বনি-ইসরাইলরা তুর পাহাড়েই তাদের গহনাগাঁটি খুলে ফেলল; তারা আর কখনও তা পরে নি।
পবিত্র মিলন-তাম্বু
7মূসা বনি-ইসরাইলদের ছাউনির বাইরে দূরে একটা বিশেষ তাম্বু খাটাতেন আর সেটাকে তিনি বলতেন “মিলন-তাম্বু।” মাবুদের কাছ থেকে কেউ কিছু জানতে চাইলে সে ঐ মিলন-তাম্বুর কাছে যেত। 8মূসা যখন সেই মিলন-তাম্বুতে যেতেন তখন লোকেরা নিজের নিজের তাম্বুর দরজার সামনে দাঁড়িয়ে থাকত এবং তিনি সেই তাম্বুতে না ঢোকা পর্যন্ত তাঁর দিকে তাকিয়ে থাকত। 9মূসা সেই তাম্বুতে ঢুকবার পর মেঘের থামটি নেমে আসত এবং মাবুদ যতক্ষণ মূসার সংগে কথা বলতেন ততক্ষণ পর্যন্ত তা তাম্বুর দরজার কাছে থাকত। 10লোকেরা যখনই এই থামটিকে তাম্বুর দরজার কাছে দেখত তখন প্রত্যেকে উঠে নিজের নিজের তাম্বুর দরজার কাছে থেকে মাবুদকে সেজদা করত। 11মানুষ যেমন মুখোমুখি হয়ে বন্ধুর সংগে কথা বলে মাবুদ ঠিক তেমনি করেই মূসার সংগে কথা বলতেন। পরে মূসা বনি-ইসরাইলদের ছাউনিতে ফিরে যেতেন কিন্তু নূনের ছেলে ইউসা মিলন-তাম্বু ছেড়ে যেতেন না। ইউসা নামে এই যুবকটি ছিলেন মূসার সাহায্যকারী।
হযরত মূসা (আঃ)-এর কাছে মাবুদের ওয়াদা
12পরে মূসা মাবুদকে বললেন, “তুমি আমাকে এই লোকদের নিয়ে যেতে বলেছ, কিন্তু আমার সংগে কাকে পাঠাবে তা তো বলছ না। তুমি বলেছ তুমি আমাকে তোমার নিজের বলেই জান আর আমার উপর তোমার রহমত রয়েছে। 13যদি আমি তোমার রহমত পেয়েই থাকি তবে তুমি কি উদ্দেশ্যে কি কর তা আমাকে জানতে দাও যাতে আমি তোমাকে বুঝতে পারি আর তোমার রহমতের মধ্যে থাকতে পারি। মনে রেখ, এই জাতি তোমারই।”
14জবাবে মাবুদ বললেন, “আমি নিজেই তোমার সংগে যাব এবং তোমাকে বিশ্রাম দেব।”
15মূসা তাঁকে বললেন, “তুমি যদি আমাদের সংগে না যাও তবে এখান থেকে আমাদের পাঠিয়ো না। 16তুমি আমাদের সংগে না গেলে লোকে কি করে বুঝবে যে, আমার উপর ও তোমার বান্দাদের উপর তোমার রহমত রয়েছে? আমি ও তোমার বান্দারা যে দুনিয়ার অন্যান্য লোকদের চেয়ে আলাদা তা আর কি দিয়ে বুঝা যাবে?”
17তখন মাবুদ মূসাকে বললেন, “তুমি যা বললে আমি তা করব, কারণ আমার রহমত তোমার উপর রয়েছে আর আমি তোমাকে আমার নিজের বলেই জানি।”
18মূসা বললেন, “তা হলে তোমার মহিমা আমাকে দেখাও।”
19মাবুদ বললেন, “আমি আমার সব মহত্ত্ব তোমার সামনে তুলে ধরব। তোমার সামনে আমি আমার ‘মাবুদ’ নাম ঘোষণা করব। আমার যাকে ইচ্ছা তাকে রহমত দান করব, যাকে ইচ্ছা তাকে মমতা করব। 20কিন্তু তুমি আমার মুখ দেখতে পাবে না, কারণ আমাকে দেখবার পর কেউ বেঁচে থাকতে পারে না।” 21তারপর মাবুদ বললেন, “তুমি আমার কাছে এই জায়গাটার দিকে তাকিয়ে দেখ। এই পাথরের পাহাড়ের থাকটার উপরে গিয়ে তুমি দাঁড়াবে। 22আমার মহিমা যখন তোমার সামনে দিয়ে চলে যাবে তখন আমি তোমাকে পাহাড়ের ফাটলের মধ্যে সরিয়ে দেব এবং আমি চলে না যাওয়া পর্যন্ত তোমাকে আমার হাত দিয়ে ঢেকে রাখব। 23তারপর আমি আমার হাত সরিয়ে নিলে তুমি আমার পিছনের দিকটা দেখতে পাবে, কিন্তু আমার মুখ দেখতে পাওয়া সম্ভব নয়।

Aucun commentaire:

Enregistrer un commentaire

Post Top Ad

Connect with us

More than 600,000+ are following our site through Social Media Join us now  

Youtube Video

Blog Stat

Sparkline 3258645

نموذج الاتصال

Nom

E-mail *

Message *

About the site

author Bangla Islamic" Bangla Islamic is the top Bangla Islamic Blog where you will get all information about Islamic news.

Learn more ←