(৩৫-সুরা ফাতের:১৯.) অন্ধ ও চক্ষুষ্মান সমান নয়, (۳۵: ۱۹)
(১৭-সুরা বনী ইসরাঈল:৭২.) আর যে ব্যক্তি এ দুনিয়াতে অন্ধ হয়ে থাকে সে আখেরাতেও অন্ধ হয়েই থাকবে বরং পথ লাভ করার ব্যাপারে সে অন্ধের চেয়েও বেশী ব্যর্থ। (۱۷: ۷۲)
(২০-সুরা ত্বহা:১২৫.) -সে বলবে, “হে আমার রব! দুনিয়ায় তো আমি চক্ষুষ্মান ছিলাম কিন্তু এখানে আমাকে অন্ধ করে উঠালে কেন?” (۲۰: ۱۲۵)
(৪৭-সুরা মুহাম্মাদ:২৩.) আল্লাহ তা’আলা এসব লোকের ওপর লা’নত করেছেন এবং তাদেরকে অন্ধ ও বধির বানিয়ে দিয়েছেন। (۴۷: ۲۳)
(২০-সুরা ত্বহা:১২৪.) আর যে ব্যক্তি আমার “যিকির” (উপদেশমালা) থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে তার জন্য হবে দুনিয়ায় সংকীর্ণ জীবন১০৫ এবং কিয়ামতের দিন আমি তাকে উঠাবো অন্ধ করে।”
(১১-সুরা হুদ:২৪.) এ দল দু’টির উপমা হচ্ছেঃ যেমন একজন লোক অন্ধ ও বধির এবং অন্যজন চক্ষুষ্মান ও শ্রবণ শক্তি সম্পন্ন। এরা দু’জন কি সমান হতে পারে?২৮ তোমরা (এ উপমা থেকে) কি কোন শিক্ষা গ্রহণ করো না?
Aucun commentaire:
Enregistrer un commentaire